Advertise your brand here -Contact 7603043747 (Call & Whatsapp)

দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে শিশু দিবস

Table of Contents

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share Our Blog :

Facebook
WhatsApp

১৪ নভেম্বর, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর জন্মদিনে শিশু দিবস , দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে শিশু দিবস।  দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে শিশুদের গুরুত্বকে মনে করেই এই দিনটি পালিত হয়।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় পালিত হয়ে থাকে। শিশু দিবসটি প্রথমবার ১৯২০ সালের ২৩ এপ্রিল তুরস্কে পালিত হয়েছিল। বিশ্ব শিশু দিবস ২০ নভেম্বর-এ উদ্‌যাপন করা হয়, এবং আন্তর্জাতিক শিশু দিবস জুন ১ তারিখে উদ্‌যাপন করা হয়। তবে বিভিন্ন দেশে নিজস্ব নির্দিষ্ট দিন আছে শিশু দিবসটিকে উদ্‌যাপন করার।

 

স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু শিশুদের কাছে ছিলেন প্রিয় “চাচা নেহেরু”। অন্যদিকে জওহরলাল নেহরুও ছোটদের সঙ্গে সময় কাটাতে খুব ভালোবাসতেন। জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসংঘ ১৯৫৪ সালের ২০ নভেম্বর দিনটিকে শিশু দিবস হিসাবে পালনের জন্যে ঘোষণা করেছিল। সেই ঘোষণা অনুযায়ী ভারতেও ২০ নভেম্বর শিশু দিবস হিসাবে পালন করা হত। তবে ১৯৬৪ সালের ২৭ মে,পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর প্রয়াণের পর শিশুদের প্রতি তার চরিত্রের এই বিশেষ দিকটিকে স্মরণে রেখে সর্বসম্মতভাবে তার জন্মদিনটি ভারতে শিশু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারপর থেকেই প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর দিনটি শিশু দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে।

দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে শিশুদের গুরুত্বকে মনে করেই এই দিনটি পালিত হয়। এছাড়াও,এই দিনে শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সব মানুষকে আরও সচেতন করার চেষ্টা করা হয়। শিশুরা যাতে সঠিক শিক্ষা পায়, দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে শিক্ষা পায় সে ব্যাপারেও প্রচার করা হয় এই দিনটিকে উপলক্ষ করে। পাশাপাশি শিশুদের সঠিক পুষ্টির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়। দেশের স্কুলগুলিতে এই দিনটিতে পড়াশুনোর পরিবর্তে নানা রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কোথাও আবার শিশুদের পিকনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। ছোটো বাচ্চাদের হাতে এই দিনটিতে তুলে দেওয়া হয় নানা উপহারও। সব মিলিয়ে ভারতে১৪ নভেম্বর (Children’s Day) পুরোপুরিই শিশুদের দিন।  তবে সব দেশেই শিশু দিবস পালনের উদ্দেশ্য একটাই, দেশের শিশুদের অধিকার ও তাঁদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতনতার বার্তা দেওয়া।

২০১১ সালে, ভারতের জাতীয় আদমশুমারিতে দেখা গেছে যে ভারতে [৫-১৪] বছর বয়সী মোট ২৫৯.৬৪ মিলিয়ন শিশুদের মধ্যে শিশুশ্রমিকের মোট সংখ্যা ১০.১ মিলিয়ন হবে । শিশুশ্রম সমস্যা শুধু ভারতেই আছে এমন নয়; বিশ্বব্যাপী, প্রায় ২১৭ মিলিয়ন শিশু প্রতিনিয়ত কাজ করে, অনেকেই পূর্ণকালীন সময় কাজ করে।

শিশু ও কিশোরী শ্রম (নিষিদ্ধকরণ ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ১৯৮৬ অনুযায়ী,যা ২০১৬ সালে সংশোধন করে (“সিএলপিআর অ্যাক্ট”) করা হয়েছে, এই আইন অনুযায়ী, একটি “শিশু” ১৪ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, এবং সিএলপিআর আইন গার্হস্থ্য সাহায্য সহ যেকোনো ভাবে একটি শিশুর কাজ করাকে নিষিদ্ধ করে । শিশুকে যে কোন কাজে নিয়োগ করা একটি বিবেচ্য অপরাধ। ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের “কিশোর” হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং এই আইনটি কিশোর -কিশোরীদের বিপজ্জনক তালিকাভুক্ত পেশা এবং প্রক্রিয়াগুলি ছাড়া অর্থাৎ খনির, দাহ্য পদার্থ এবং বিস্ফোরক সম্পর্কিত কাজ এবং কারখানা আইন ১৯৪৮ অনুসারে অন্য যে কোনও বিপজ্জনক প্রক্রিয়াকে বাদ দিয়ে কাজ করার অনুমতি দেয়। ২০০১ সালে, সমস্ত শিশুশ্রমিকদের মধ্যে আনুমানিক ১% শিশুশ্রমিক, অথবা ভারতের প্রায় ১,২০,০০০ শিশু বিপজ্জনক কাজে নিয়োজিত ছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারতের সংবিধানে অনুচ্ছেদ ২৪ এর অধীনে মৌলিক অধিকার হিসাবে বিপজ্জনক শিল্পে (কিন্তু বিপজ্জনক নয় এমন শিল্পে নয়) শিশুশ্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।ইউনিসেফ অনুমান করে যে, বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ ভারতে ১৪ বছরের কম বয়সী শ্রমিকদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যখন সাব-সাহারান আফ্রিকান দেশগুলিতে শতাংশ হিসেবে নিযুক্ত শিশুশ্রমিকদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন অনুমান করে যে, বিশ্বের ৬০ শতাংশ শিশুশ্রমের সবচেয়ে বড় নিয়োগকারী বিভাগ হল কৃষি, যখন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার অনুমান ৭০% শিশুশ্রম কৃষি এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাজে নিয়োজিত। কৃষির বাইরে, ভারতীয় অর্থনীতির প্রায় সব অনানুষ্ঠানিক খাতে শিশুশ্রম পরিলক্ষিত হয়।

ধীরে ধীরে শিশু শ্রমিক নিবন্ধিকরণ করতে হবে, এবং ভারতের প্রত্যেকটি শিশু যাতে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয় ও প্রকৃত মানুষ হতে পারে সেটির দায়িত্ব দেশের জনগনকেই নিতে হবে এবং সুব্যবস্থা করতে হবে। কারণ তারাই হয়ে উঠবে দেশের ভবিষ্যৎ। তখনই আমাদের দেশের উন্নতি হবে এবং অশিক্ষার হার কমবে। তাই আমাদের সকলের প্রচেষ্টা একান্ত কাম্য। তাই আজকের দিনটা সেই সকল শিশুর জন্য যারা আজও শিশু শ্রমের দায়ে চাপা পড়ে আছে, যাদের কাছে শিক্ষার আলো এখনো পৌঁছায়নি। শিশুরা যেন তাদের কোনো অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয় এটিই এখন আমাদের একমাত্র কামনা।

বন্ধ হোক শিশু শ্রম, গড়ে উঠুক নতুন সমাজ
সেই কারণেই শিশু দিবস, শুনতে কি পাচ্ছো চাচা নেহেরু-র আওয়াজ?

More Related Articles

রাজ‍্য ও রাজনীতি

বেসরকারি স্কুলের ফি বৃদ্ধি রুখতে সরকার আনছে নতুন বিল: জানালেন শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু

কলকাতা: রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলির ফি বৃদ্ধি রুখতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার নতুন একটি বিল আনতে চলেছে। এই বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, অভিভাবকদের আর্থিক চাপ কমাতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চলেছে।

Read More »
স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য

দোল উৎসবে বিষাক্ত রং থেকে চোখ ও ত্বকের সুরক্ষা: জেনে নিন কিছু কার্যকরী ঘরোয়া টিপস

দোল পূর্ণিমা মানেই রঙের উৎসব, আনন্দ, আর উন্মাদনা! কিন্তু বাজারের রাসায়নিকযুক্ত রং আমাদের ত্বক ও চোখের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। চুলকানি, অ্যালার্জি, শুষ্কতা এমনকি ত্বকের স্থায়ী ক্ষতিও হতে পারে এসব রঙের কারণে। তাই দোল খেলার আগে ও পরে কিছু বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। আসুন জেনে নিই কীভাবে সহজ ঘরোয়া উপায়ে চোখ ও ত্বকের সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন।

Read More »
বিনোদন জগত

Zee Bangla উপস্থাপন করছে ‘সোনার সংসার ২০২৫’ – ২৫ বছরের গৌরবময় যাত্রার উদযাপন এক ঝলমলে সন্ধ্যায়

কলকাতা, ১২ই মার্চ, ২০২৫: বাংলা বিনোদনের শীর্ষস্থানীয় চ্যানেল Zee Bangla এবার তার ২৫ বছরের গৌরবময় যাত্রা উদযাপন করতে চলেছে ‘সোনার সংসার ২০২৫’-এর মাধ্যমে। এই মহাধারার রাত্রি এক মহা উৎসবে রূপ নেবে, যেখানে থাকবে মনোমুগ্ধকর পারফরম্যান্স, আবেগঘন মুহূর্ত এবং বাংলা বিনোদন জগতের প্রতি এক অসীম শ্রদ্ধার্ঘ্য।

Read More »
Featured News

আজ আমাদের ন্যাড়াপোড়া…. জানেন কি ? এই ন্যাড়া পোড়ার পিছনের পৌরাণিক কাহিনী

বাংলার লোকসংস্কৃতির অন্যতম আকর্ষণীয় উৎসব হলো ন্যাড়া পোড়া। বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে এই উৎসবটি বেশ জনপ্রিয়। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে অনুষ্ঠিত এই উৎসব মূলত হোলিকা দহন বা হোলি পূর্ণিমার একটি অংশ। তবে বাংলার মাটিতে এটি কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে পালিত হয়। কিন্তু, এই ন্যাড়া পোড়ার পেছনে রয়েছে এক গভীর পৌরাণিক কাহিনী। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই উৎসবের ঐতিহ্য ও ইতিহাস।

Read More »
EDITOR PICKS

নেট দুনিয়া এখন জমজমাট “ভার্চুয়াল দোল” নিয়ে! রঙের উচ্ছ্বাস এবার ডিজিটাল স্ক্রিনে

দোলযাত্রা বা হোলি, যা রঙের উৎসব হিসেবে পরিচিত, এবার এক নতুন মাত্রা পেয়েছে ডিজিটাল দুনিয়ায়। সারা বিশ্বের নেটিজেনরা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভার্চুয়াল দোল খেলায় মেতে উঠেছে। কেউ ডিজিটাল ফিল্টার ব্যবহার করে নিজেকে রঙিন করছে, কেউ আবার ভার্চুয়াল স্টিকার ও জিআইএফ শেয়ার করে বন্ধুবান্ধবদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।

Read More »
Featured News

Windows Productions-এর “আমার বস” সিনেমার প্রথম গান “বসন্ত ডেকেছে আমাকে” মুক্তি পেলো রঙিন হোলি পার্টির মাধ্যমে

Windows Productions তাদের বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা “আমার বস”-এর প্রথম গান “বসন্ত ডেকেছে আমাকে” আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। এই মনোমুগ্ধকর গানটি তারুণ্য, নবজীবন এবং বসন্তের আনন্দকে উদযাপন করে। গানটির উদ্বোধন হয় Soul The Sky Lounge-এ, যেখানে হোলি-থিমযুক্ত পার্টির মাধ্যমে উৎসবমুখর এক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। অতিথিদের জন্য ছিল লাইভ চাট কাউন্টার, সুস্বাদু কাবাব, মুচমুচে জিলিপি, এবং রাজস্থানি রাবড়ি-ঠান্ডাই, যা পুরো অনুষ্ঠানে উষ্ণতা, উদ্দীপনা ও উৎসবের আবহ সৃষ্টি করেছিল।

Read More »
error: Content is protected !!